মিউটেশন সিস্টেমে আপনাকে স্বাগতম!

ভূমির মালিকানা পরিবর্তন অথবা কোনো সংশোধন অনুরোধ প্রক্রিয়া সহজে ও দ্রুত করার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় মিউটেশন সিস্টেম বাস্তবায়ন শুরু করেছে। অনলাইনে ফরম পূরণ, ফি পরিশোধ ও খতিয়ান গ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট কাজ এই সিস্টেমে করতে পারবেন

খুলনাসিলেটময়মনসিংহঢাকারংপুররাজশাহীচট্টগ্রামবরিশাল

তথ্যচিত্র

(বিভাগ অনুযায়ী বিগত ৩০ দিনের তথ্য)
৬৬%
Icon
মঞ্জুর হার
0%
Icon
সন্তুষ্টির হার
গড় নিষ্পত্তি১৯ দিন
ফিডব্যাকের সংখ্যা0
নতুন আবেদন৪,৯৯,৩৬৩
মোট নিষ্পত্তিকৃত আবেদন৪,৯৫,৮০২

এলাকা ভিত্তিক মিউটেশন তথ্যচিত্র

( বিভাগ অনুযায়ী বিগত ৩০ দিনের তথ্য)
বিগত ৩০ দিনেগতকাল পর্যন্ত অনিষ্পত্তিকৃতনাগরিক ফিডব্যাক
ক্রম
বিভাগ
নতুন আবেদন
মোট নিষ্পত্তিকৃত আবেদন
গড় নিষ্পত্তি
মঞ্জুর হার
প্রক্রিয়াধীন
২৮ দিনের উর্দ্ধে
প্রাপ্ত ফিডব্যাক
সন্তুষ্টির হার
#
ময়মনসিংহ৪৩,৪৮৫৪৩,০৪৮১৬ দিন৬৬%৩২,৩৬১৭%
সিলেট২৩,৬১৬২৪,৮৭৩১৮ দিন৭০%২০,৬১৬১৪%
চট্টগ্রাম৯৪,৬৯৭৯২,৮৭৬১৯ দিন৬৯%৮৬,৩০৪১১%
ঢাকা১,২৮,২০৮১,২৪,৫২১১৯ দিন৬৬%১,২৫,৮৮৫১৬%
খুলনা৬৬,৬৪৪৬৪,৭৮৯২০ দিন৬৭%৬৭,০৫৮২৩%
বরিশাল২৬,২৪৮২৮,২৮১২১ দিন৬৬%২২,০৫৫২৩%
রংপুর৪৩,০১৪৪৬,৩৭৬২১ দিন৫৯%৪২,৮৮৬২৫%
রাজশাহী৭৩,৪৫১৭১,০৩৮২২ দিন৬৫%৭৯,১২৭২২%
তথ্যচিত্রের সূত্র

ক। মিউটেশন সিস্টেমের শুরু থেকে জমাকৃত আবেদন বিগত ৩০ দিনে যে সকল খতিয়ান চূড়ান্ত বা না-মঞ্জুর হয়েছে, সে সকল উপাত্ত বিশ্লেষণপূর্বক নিম্নোক্ত তথ্য সারণি প্রস্তুত হয়েছে; যা প্রতিদিনই স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হয়।

খ। অসম্পূর্ন আবেদনের ক্ষেত্রে যতদিন নাগরিক /আবেদনকারীর কাছে নথি জমা থাকে সেই দিনগুলো গননা করা হয় না। কিন্তু নাগরিক /আবেদনকারী নথি পুনরায় জমা দিলে বা আদেশে নির্ধারিত সময় পর পুনরায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)র ডেস্কে আবেদন জমা হয়ে যাবে তখন থেকে আবার ডেট গননা চলমাম থাকবে।

গ। খতিয়ান চূড়ান্ত বা না-মঞ্জুর হওয়ার পর মিউটেশন খতিয়ানের করণিক ভুল সংশোধন, রিভিউ, মিসকেসের জন্য আবেদন ওপেন করলে সেই আবেদন কোন পেন্ডিং রিপোর্টে গননা করা হচ্ছে না।

ঘ। DCR ফি পরিশোধ না করলে অটোমেটিক ৩০ দিন পর আর্কাইভ হয়ে যাবে। না-মঞ্জুর হবে না। সে ক্ষেত্রে চুড়ান্ত খতিয়ান হয়ে গেলে দিন গননা বন্ধ হয়ে যাবে

ঙ। মিসকেসের মাধ্যমে কোন মিউটেশন মামলা চলমান হলে তা পুর্বের মামলার সাথে দিন গননা হবে না। তবে মিস কেস বা রিভিউ কেসের জন্য আলাদা দিন গননা হবে। সেটা মিউটেশন ড্যাসবোর্ডে আপাতত আসবেনা ।

চ। অটোমেটিং খতিয়ান বাস্তবায়ন হলে কোন ইম্প্যাক্ট পড়বে না। যদি কোন ইম্প্যাক্ট পড়ে তাহলে অটোমেটিক খতিয়ান বাস্তবায়ন হলে পর্বর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে?

১. নতুন আবেদন:

সর্বশেষ ৩০ দিনের টোটাল আবেদনের সংখ্যা।

২. মোট নিষ্পত্তিকৃত আবেদন:

সর্বশেষ ৩০ দিনের মধ্যে যেসকল আবেদন না-মনজুর অথবা যে সকল আবেদনের খতিয়ান চূড়ান্তকরণ করা হয়েছে তার সংখ্যা।

৩. গড় নিষ্পত্তি (দিন):

শুরু থেকে থেকে আবেদনকৃত আবেদনের যেগুলো সর্বশেষ ৩০ দিনের মধ্যে যে সকল আবেদনের খতিয়ান চূড়ান্তকরণ এবং না-মঞ্জুর করা হয়েছে তার গড় দিন।

আবেদন জমাকরণের তারিখ থেকে খতিয়ান চূড়ান্তকরণ বা না-মঞ্জুর এর সময়কে বিবেচনা করা হয়েছে। খতিয়ান চূড়ান্তকরণের পরে নাগরিকগণ নির্ধারিত ফিস অনলাইনে প্রদান সাপেক্ষে সয়ংক্রিয়ভাবে খতিয়ান ডাউনলোড করে নিতে পারেন এবং এক্ষেত্রে ভূমি অফিসের কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকায় খতিয়ান চূড়ান্তকরণের পরের সময়কে বিবেচনায় নেয়া হয়নি।

৪. মঞ্জুর হার:

সর্বশেষ ৩০ দিনের মধ্যে যেসকল আবেদন না-মনজুর অথবা যে সকল আবেদনের খতিয়ান চূড়ান্তকরণ করা হয়েছে তার সংখ্যা।

মঞ্জুরের হার৩০ দিনের নিষ্পত্তি ----------------------------- ৩০ দিনের গৃহিত আবেদন x ১০০

৫। নাগরিক ফিডব্যাকঃ

একটি আবেদন নিস্পত্তি হয়েগেলে আবেদনকারীর কাছে ফিডব্যাকের জন্য IVR থেকে একটি অটোমেটিক কল জেনারেট হয়। এই কলের প্রাপ্ত ফিডব্যাক এবং সন্তুষ্টির হার এখানে উল্ল্যেখ করা হয়েছে।

৬। গতকাল পর্যন্ত অনিষ্পত্তিকৃতঃ

মোট আবেদনঃ মিউটেশন সিস্টেমের শুরু থেকে খতিয়ান চুড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত/ না-মঞ্জুরের আদেশ পর্যন্ত গতকাল পর্যন্ত অনিষ্পত্তিকৃত মোট আবেদনের সংখ্যা।

২৮ দিনের উর্দ্ধেঃ ২৮ দিনের উর্দ্ধেঃ পেন্ডিং আবেদনের সংখ্যা --------------------------------------------------- শুরু থেকে গতকাল পর্যন্ত পেন্ডিং আবেদনের সংখ্যা x ১০০

৭। ইউনিয়ন/পৌর ভূমি অফিসের তথ্যের ক্ষেত্রে শুধু এক্সট্রা একটা ফিল্ড এড করা হয়েছে।

প্রতিবেদন প্রদানের গড় দিন। (সহকারী কমিশনার (ভূমি) যখন তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য ইউনিয়ন/পৌর ভূমি অফিসে নথি প্রেরণ করে তখন থেকে ইউনিয়ন/পৌর ভূমি অফিস থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাছে নথি প্রেরণের গড় সময়কে বিবেচনা করা হয়েছে।